f 999-এর গল্প — কীভাবে শুরু হয়েছিল এই যাত্রা
f 999-এর জন্ম হয়েছিল একটি সহজ চিন্তা থেকে — বাংলাদেশের মানুষ কেন বিশ্বমানের অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পাবেন না? ২০২০ সালের দিকে যখন অনলাইন গেমিং দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছিল, তখন বাজারে যা ছিল তার বেশিরভাগই ছিল বিদেশি প্ল্যাটফর্ম — ইংরেজিতে, বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতিতে, বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় না রেখে তৈরি। f 999 এই শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এল।
শুরু থেকেই f 999 একটি বিষয়ে পরিষ্কার ছিল — এখানে বাংলাদেশের মানুষের সুবিধা আগে। তাই বিকাশ, নগদ, রকেটের মতো স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ করা হলো। পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় করা হলো। কাস্টমার সাপোর্ট টিমকে বাংলায় কথা বলার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হলো। ফলে ঢাকার মিরপুর থেকে শুরু করে সিলেটের চা-বাগানের কাছের শহর পর্যন্ত — যেকোনো জায়গার মানুষ f 999 সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।
"আমরা চেয়েছিলাম এমন একটা প্ল্যাটফর্ম যেখানে একজন সাধারণ বাংলাদেশি মানুষ কোনো ঝামেলা ছাড়াই খেলতে পারবেন, টাকা জমা দিতে পারবেন, জিতলে দ্রুত তুলতে পারবেন — এবং কোনো সমস্যা হলে নিজের ভাষায় সাহায্য চাইতে পারবেন।"
— f 999 প্রতিষ্ঠাতা টিমf 999 যেভাবে আলাদা
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু f 999 কিছু বিষয়ে সত্যিকার অর্থেই আলাদা। প্রথমত, আমাদের পেমেন্ট সিস্টেম। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম যেখানে উইথড্রয়ালে তিন থেকে সাত কার্যদিবস নেয়, সেখানে f 999 সাধারণ সদস্যদের জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং ভিআইপি সদস্যদের জন্য মাত্র ১৫ মিনিটে পেমেন্ট দেয়। এই পার্থক্যটা খেলোয়াড়দের কাছে অনেক বড়।
দ্বিতীয়ত, f 999-এর গেম বৈচিত্র্য। ক্রিকেট বেটিং থেকে শুরু করে লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, লটারি, কার্ড গেম — সব ধরনের খেলোয়াড়ের জন্য কিছু না কিছু আছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে আইপিএল ও বিপিএলের মৌসুমে f 999-এর ক্রিকেট বেটিং বিভাগ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। লাইভ স্ট্যাটস ও রিয়েল-টাইম আপডেটের সুবিধায় খেলোয়াড়রা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
তৃতীয়ত, f 999-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আমাদের প্ল্যাটফর্ম SSL এনক্রিপশন এবং উন্নত ফায়ারওয়াল দ্বারা সুরক্ষিত। প্রতিটি লেনদেন এনক্রিপ্টেড। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত তথ্য কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না। দুই স্তরের যাচাইকরণ ব্যবস্থা প্রতিটি অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখে।
দায়িত্বশীল গেমিং — আমাদের মূল নীতি
f 999 সবসময় বিশ্বাস করে যে গেমিং হওয়া উচিত বিনোদন, আসক্তি নয়। তাই আমরা আমাদের প্ল্যাটফর্মে বেশ কিছু দায়িত্বশীল গেমিং টুল যোগ করেছি। খেলোয়াড়রা নিজেই তাদের দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিট লিমিট সেট করতে পারেন। কেউ যদি অনুভব করেন যে গেমিং তার জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তিনি সেলফ-এক্সক্লুশন বেছে নিতে পারেন। f 999 কখনো খেলোয়াড়দের সীমার বেশি খেলতে উৎসাহিত করে না।
মনে রাখুন: f 999 একটি বিনোদন প্ল্যাটফর্ম। গেমিং সবসময় সীমার মধ্যে, নির্ধারিত বাজেটে এবং আনন্দের জন্য উপভোগ করুন। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য f 999 সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
বাংলাদেশ জুড়ে আমাদের সম্প্রদায়
f 999-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর খেলোয়াড় সম্প্রদায়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ সহ বাংলাদেশের সব ৬৪ জেলায় f 999-এর সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছেন। এই বিশাল সম্প্রদায়কে একসাথে ধরে রাখে f 999-এর নিয়মিত টুর্নামেন্ট, বিশেষ বোনাস অফার এবং উৎসব উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন।
ঈদ, পূজা, বিশ্বকাপ — বাংলাদেশের প্রতিটি উৎসবে f 999 তার খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ কিছু নিয়ে আসে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, f 999 শুধু একটি অ্যাপ বা ওয়েবসাইট নয় — এটি একটি জীবন্ত সম্প্রদায়, যেখানে প্রতিদিন হাজারো মানুষ আনন্দ খুঁজে পান।